সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। ৬১টি ফ্লাইটের অন্তত ৮ হাজার ৩৮১ জন যাত্রী এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ২২টি সরাসরি ফ্লাইট। বাকি ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট।
সোমবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। বেবিচক এ তথ্য সেখানেই জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই হিসাবে রিয়াদ এয়ারের যাত্রীদের ধরা হয়নি। কারণ এয়ারলাইনসটি এখনো যাত্রীর সংখ্যা জানায়নি। তথ্য পেলে যাত্রীর হিসাব হালনাগাদ করা হবে।
স্থগিত হওয়া ২২টি সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নয়টি ফ্লাইট আছে। রিয়াদ এয়ারের সাতটি, সৌদিয়ার চারটি ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দুটি ফ্লাইটও বন্ধ হয়েছে।
ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ১৬টি স্থগিত হয়েছে। এমিরেটসের নয়টি ফ্লাইটও বন্ধ। কাতার এয়ারওয়েজ ও ফ্লাইদুবাইয়ের পাঁচটি করে ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে। সালামএয়ারের তিনটি ও ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইটও এর মধ্যে আছে।
এর আগে বেবিচক জানিয়েছিল, ৫১টি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে। তখন ৫ হাজার ৪১৮ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন। সর্বশেষ হিসাবে স্থগিত ফ্লাইট ও ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীর সংখ্যা দুটিই বেড়েছে।
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে একের পর এক হামলা হয়েছে। তাই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও আছে। এসব ঘটনার পর ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়। কিছু বিধিনিষেধও দেওয়া হয়।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের ফ্লাইট স্থগিত রেখেছে। এই স্থগিতাদেশ ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ২১ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদগামী ফ্লাইট বন্ধ রেখেছে।