PoribortonKantho.Com
ঢাকা, রবিবার , ৮ নভেম্বর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জাতীয়
  3. অর্থনীতি
  4. রাজনীতি
  5. আন্তর্জাতিক
  6. সারাদেশ
  7. ধর্ম
  8. শিক্ষা
  9. স্বাস্থ্য
  10. খেলাধুলা
  11. বিনোদন
  12. চাকরি
শিরোনাম
প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট : ইসি সচিব ● বুড়িগঙ্গার বুকে ব্যানার টাঙিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ‘নৌকা মিছিল’ ● রেডি হও জামায়াত, তোমাদের উপযুক্ত জায়গা পাকিস্তান পাঠানো হবে: পাপিয়া ● মৌসুমে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কিনবে সরকার, দাম নির্ধারণ ● আজ ৭ ব্যান্ডের সাত ঘণ্টার কনসার্ট, কখন ও কোথায় ● চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিএসএফ-বিজিবির পাল্টাপাল্টি গু’লি, আহত বাংলাদেশি ● জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কুচকাওয়াজে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ●

দ্রুত বিচার দ্রুত রায়-শাস্তি কার্যকরে দীর্ঘ অপেক্ষা

প্রতিনিধির নাম:
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শিশু হত্যা ও ধর্ষণের মামলায় দ্রুত রায় হলেও ভুক্তভোগীর পরিবারের অপেক্ষা যেন শেষ হচ্ছে না। বিচারিক আদালতে দণ্ড ঘোষণার পরও উচ্চ আদালতের দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় আটকে থাকছে চূড়ান্ত শাস্তি ঢাকার পল্লবীর শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলায় মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতের রায়, মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় দ্রুত বিচার শেষে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। কিন্তু বিচারিক আদালতে দ্রুত রায় হলেও সেখানেই শেষ হচ্ছে না বিচারপ্রক্রিয়া। মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে ডেথ রেফারেন্স, আপিলসহ উচ্চ আদালতের একাধিক ধাপ পেরোতে হয়। ফলে দ্রুত বিচার ও রায়ের পরও চূড়ান্ত শাস্তি কার্যকরে দীর্ঘসূত্রতা থেকে যাচ্ছে। আইনজীবীদের মতে, বিচারিক আদালতে কোনো মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হলেও উচ্চ আদালতে মামলাজট, ডেথ রেফারেন্সের শুনানি এবং পরবর্তী আপিল প্রক্রিয়ার কারণে পুরো বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে শুধু আলোচিত মামলায় দ্রুত বিচার নয়, কাঠামোগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সব মামলায় নির্ধারিত সময়ে বিচার শেষ করার সক্ষমতা তৈরি করা জরুরি।

 

১৯ দিনে রায়, বাস্তবায়ন হয়নি এখনো
রাজধানীর পল্লবীর আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দ্রুত বিচার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। গত ১৯ মে ২০২৬ রামিসাকে তাদের ভাড়া বাসায় হত্যা করা হয়। ২৪ মে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। একই দিন মামলাটি বিচারের জন্য শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে দ্রুত বিচারের আশ্বাস দেন। এরপর বিচারকাজ দ্রুত শেষ করতে মাত্র পাঁচটি শুনানিতে বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়। গত ৭ জুন রায় ঘোষণা করেন আদালত। মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মামলাটিতে একদিনেই রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন রামিসার বাবা-মা ও বড় বোন, কয়েকজন প্রতিবেশী, চিকিৎসক, ঢাকা মহানগর হাকিম ও তদন্ত কর্মকর্তা। সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে দ্রুত রায়ের দিকে যায় মামলাটি। তবে বিচারিক আদালতের রায়ের পরও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সুযোগ তৈরি হয়নি।

আরো পড়ুন  নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শাহবাজ শরিফের সাক্ষাৎ

মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কুচকাওয়াজে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বরের বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

সব ধর্মাবলম্বীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই

৫৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবস উদযাপন করবে আইডিইবি

ভারতের একমাত্র তারকা হিসেবে যে ইতিহাস গড়লেন বিজয় সেতুপতি

ওষুধ কেনার টাকাও ছিল না, নাজমার পাশে দাঁড়ালো ঢাকা জেলা প্রশাসন

ব্যারিস্টার সরোয়ারকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে লিগ্যাল নোটিশ

ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিন

সাদেক হোসেন খোকার কবর জিয়ারত করলেন সাদিক কায়েম

৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য উৎপাদন, লাখ টাকা জরিমানা

১২ সেকেন্ডে ব্যাগ ছিনতাই, ১২ দিন পর বাকলিয়া থেকে গ্রেফতার মানিক