PoribortonKantho.Com
ঢাকা, শনিবার , ৩ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
শিরোনাম
বিয়ে নিবন্ধনে আসছে বড় পরিবর্তন ● ৯ অক্টোবর জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল, দাবি নিয়ে আন্দোলনের ঘোষণা ● বাইক, গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ ● একাধিক বিয়ে ও বাল্যবিয়ের সুযোগ থাকছে না ● সাড়ে ৬ লাখ জেলে পরিবারকে ‘বড় সুখবর’ দিল সরকার ● শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী ● আ.লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান জালাল ●

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী

স্টাফ রিপোর্টার
৩ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩০ পিএম

Link Copied!

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে একটি আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান বারবার স্পষ্ট করেছেন। বিষয়টি আইনগত ও সুসংগঠিত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং আদালতও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। ফলে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বলা সম্ভব নয়। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়েও একই কথা বলেন তিনি।

শনিবার ‘বে অফ বেঙ্গল কনভার্সেশন ২০২৬’-এর গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত একটি সেশনে এক প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী এসব কথা বলেন।

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, এ বিষয়ে উত্তর দিতে হলে প্রথমে আমাদের ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাতে হবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এরই মধ্যে বারবার এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তারা বলেছেন- এ বিষয়ে একটি প্রক্রিয়া রয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়াটি আইনগত ও সুসংগঠিত। বর্তমানে সেই প্রক্রিয়া চলমান এবং আদালতও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বলা সম্ভব নয়।

শেখ হাসিনা কীভাবে ভারতে গেলেন, সে প্রসঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, শেখ হাসিনাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। সে সময় বাংলাদেশে যে মর্মান্তিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি ভারতে এসেছিলেন। পৃথিবীর কোনো প্রান্তেই যেন এমন পরিস্থিতি আর কখনো সৃষ্টি না হয়, যেখানে নিরপরাধ মানুষকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়—এমন প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সেই সময় একটি সামরিক বিমান ভারতে এসেছিল এবং ভারতও এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিল না। আমি নিজেও তখন টেলিভিশনে দেখছিলাম, স্ক্রলে প্রচার করা হচ্ছিল যে তিনি অন্য কোনো দেশে যাচ্ছেন। সেই মুহূর্তে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ফলে পরিস্থিতির বাস্তবতায় আমাদের সামনে খুব বেশি বিকল্পও ছিল না।

আরো পড়ুন  অনলাইনে ভূমি অভিযোগ নিষ্পত্তিতে শীর্ষে চট্টগ্রাম

তিনি বলেন, একজন প্রতিবেশী হিসেবে তখনকার বাস্তবতাকে গ্রহণ করাই ভারতের দায়িত্ব ছিল। কারণ কখনো কখনো এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যার জন্য কোনো দেশই আগে থেকে প্রস্তুত থাকে না। ভারত যদি বলত যে তাকে গ্রহণ করবে না, এমনকি অবতরণের অনুমতিও না দিত, তাহলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, তা বলা কঠিন।

তিনি বলেন, এটাই ছিল সেই সময়ের ঐতিহাসিক বাস্তবতা। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে যে আইনগত প্রক্রিয়া রয়েছে, সেটি তার নিজস্ব গতিতে চলছে। বাংলাদেশ যেমন একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ এবং দেশটির মানুষ আইনের শাসন ও বিচারব্যবস্থাকে সম্মান করে, ভারতও একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে তার আইনগত প্রক্রিয়াকে সম্মান করে।

মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন

আ.লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান জালাল

মানবাধিকারে বিশেষ অবদানের জন্য শান্তি পদক পেলেন মঞ্জুর হোসেন ঈসা

কানাডায় আলিশান সাম্রাজ্য, মদ ব্যবসায়ী সালমানের শ্বশুর কে এই শেখ নূর

এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা, মামা ওবায়দুর চার দিনের রিমান্ডে

সাংবাদিক কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারে ১০ দিনের আল্টিমেটাম ক্র্যাবের

বিএনপি-আ.লীগের গোপন বৈঠকে ডিবির হানা

নতুন কোনো যৌথবাহিনী নয়, সমন্বিত অভিযান জোরদার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের গেজেট সোমবার

ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

সার মজুতের সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হা’ম’লা’র শিকার সাংবাদিক

জাতিসংঘ সফর নিয়ে বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাবির ‘মধুর ক্যান্টিন’ থেকে একাত্তরের চেতনা মুছে ফেলার অপচেষ্টা চলছে: রিজভী