PoribortonKantho.Com
ঢাকা, শুক্রবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জাতীয়
  3. অর্থনীতি
  4. রাজনীতি
  5. আন্তর্জাতিক
  6. সারাদেশ
  7. ধর্ম
  8. শিক্ষা
  9. স্বাস্থ্য
  10. খেলাধুলা
  11. বিনোদন
  12. চাকরি
শিরোনাম
গ্যাস নিয়ে সুখবর ● অনলাইনে ভূমি অভিযোগ নিষ্পত্তিতে শীর্ষে চট্টগ্রাম ● রাজবাড়ীতে মেয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসের জেরে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ● নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শাহবাজ শরিফের সাক্ষাৎ ● আলিপুরা সেতুতে দেড় ঘণ্টা মেরামত, ঢাকামুখী এক লেনে যান চলাচল ● নিত্যপণ্যের বাজারে ‘আগুন’, লাগাম টানবে কে? ● ছয় বছরেও সন্ধান মেলেনি সাইফুল ইসলামের ●

ডিমলায় সড়ক সংস্কারে ফের নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৪ এএম

Link Copied!

 

‘বেড়ায় যদি ক্ষেত খায়, রক্ষা করবে কে?’—নীলফামারীর ডিমলায় সরকারি অর্থে সড়ক সংস্কারকাজ ঘিরে এমনই প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে পরিদর্শনের পর কাজ বন্ধ করে দেওয়া হলেও সেই উপকরণ সরিয়ে না নিয়েই আবারও সংস্কারকাজ শুরু করার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। দুই কোটি ১৩ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ের এ প্রকল্পে ঠিকাদারের অনিয়মের পাশাপাশি কাজের মান নিয়ন্ত্রণ ও তদারকিতে এলজিইডির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ডিমলার বাবুরহাট জিসি-ডালিয়া আরএইচ সড়ক ভায়া শুটিবাড়ি সড়ক সংস্কারকাজে এমন অভিযোগ উঠেছে। গত ২২ সেপ্টেম্বর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পুনরায় কাজ শুরু করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগের মতোই রাবিশ মিশ্রিত নিম্নমানের খোয়া, ভাঙা ইটসহ মানহীন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ সড়ক মেরামত ও সংরক্ষণ কর্মসূচির আওতায় সময়ান্তর রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পে সড়কটির সংস্কারকাজ নেওয়া হয়। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ২ কোটি ২৪ লাখ ৯৬ হাজার ৩১৫ টাকা। চুক্তিমূল্য ২ কোটি ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৯৯ টাকা ২৫ পয়সা। কাজটি পেয়েছে নীলফামারী সদরের মসজিদপাড়া এলাকার মেসার্স সিদ্দি ইঞ্জিনিয়ারিং মার্কস। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. মাহফুজার রহমান সাদ্দাম।

কার্যাদেশ অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি কাজ শুরু হয়ে ১৮ মে শেষ হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময় পার হলেও কাজ শেষ হয়নি। এরই মধ্যে কাজের শুরুতে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগের পর ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান এবং এলজিইডির জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সড়কটি পরিদর্শন করেন। স্থানীয়দের দাবি, পরিদর্শনে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়ার পর নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নিয়ে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নমানের খোয়া, রাবিশ ও ভাঙা ইট সরিয়ে নেওয়া হয়নি। বরং এসব উপকরণ ব্যবহার করেই পুনরায় কাজ শুরু করা হয়েছে।

আরো পড়ুন  অস্ট্রেলিয়ার সরকারি মেডিকেয়ার পোর্টালে ওপেনএআই এজেন্টের নিরাপত্তা লঙ্ঘনের দাবি

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত কার্পেটিং তুলে পুনরায় সংস্কারের প্রস্তুতি চলছে। কোথাও রাবিশ মিশ্রিত খোয়া দিয়ে বেজ তৈরির কাজ করতে দেখা যায়। সড়কের দুই পাশে রেজিংয়ের ক্ষেত্রেও মানসম্মত নতুন ইটের পরিবর্তে ভাঙা ও নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—আগের অনিয়ম ধরা পড়ার পরও একই ধরনের উপকরণ কীভাবে পুনরায় প্রকল্পের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে?

স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের পর সড়কের সংস্কারকাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসী আশাবাদী হয়েছিল। কিন্তু নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে কাজ বন্ধ হওয়ার পরও একই ধরনের মালামাল দিয়ে আবার কাজ করায় তারা হতাশ।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, কাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছিল। এরপর পরিদর্শনে ত্রুটি ধরা পড়লেও কার্যকরভাবে উপকরণ অপসারণ ও মান নিশ্চিত করা হয়নি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এলজিইডি নীলফামারীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামীম আখতার বলেন, “অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হয়েছে। নতুন ভালো মানের মালামাল দিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে।”

উপজেলা প্রকৌশলী মো. মফিজুর রহমানও একই দাবি করে বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অনিয়ম পাওয়ায় আগের নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নতুন করে মানসম্মত মালামাল সরবরাহ করে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ এবং প্রকৌশলীদের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যে কাজ একবার অনিয়মের অভিযোগে বন্ধ করা হয়েছিল, সেটি পুনরায় চালুর আগে নির্মাণসামগ্রী পরীক্ষা, পুরোনো উপকরণ অপসারণ ও মাননিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রকল্পের মান যাচাই ও তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের ভূমিকারও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তাদের মতে, প্রকল্পে ব্যবহৃত খোয়া, ইট ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর গুণগত পরীক্ষা, কাজের পরিমাণ, পরিমাপ বই, বিল-ভাউচার এবং পূর্বের পরিদর্শন প্রতিবেদন যাচাই করা হলে প্রকল্পের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।

আরো পড়ুন  জামালগঞ্জে বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩২০ পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে দায়সারাভাবে কাজ শেষ করা হলে বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও সড়কটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তাই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও তদারকি ব্যবস্থার ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রকল্পের প্রতিটি ধাপ পরীক্ষা এবং নির্ধারিত মানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন

ছয় বছরেও সন্ধান মেলেনি সাইফুল ইসলামের

এনএসআই কর্মীদের বিশেষ ভাতা বাড়ল

এআই থেকে শপিং—ইউটিউবের নতুন ফিচারে বদলাচ্ছে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে সিলেটে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

কালিয়াকৈরে আগুনে পুড়ল দুই কলোনির ২৩ ঘর ও ৫ দোকান

অস্ট্রেলিয়ার সরকারি মেডিকেয়ার পোর্টালে ওপেনএআই এজেন্টের নিরাপত্তা লঙ্ঘনের দাবি

শিবপুরে ২৯৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার

দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে ভোলাগঞ্জ স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন-২০২৬ সম্পন্ন

সিঙ্গাপুর স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে রামচন্দ্রপুরে প্রবাসী উসমান গনির মৃত্যু

প্রকাশিত সংবাদ এর প্রতিবাদ

মানিকগঞ্জে পরিত্যক্ত গোডাউনে ১৩ ঘোড়া জবাই, ৯ জনের কারাদণ্ড

বালীগাঁওয়ে বিপিএল সিজন-৫ এর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এটাক টাইটানের জয়